ISO 9001:2015, ISO 14001:2015 & ISO 45001:2018 Certified


বিদ্যুৎ বিভাগ সাশ্রয় দিনের আলো টেকসই উন্নয়ন অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার সাশ্রয়ের অঙ্গীকার নবায়নযোগ্য শক্তি বিদ্যুৎ বিভাগ জরুরি নম্বর বিদ্যুৎ সাশ্রয় সুইচ বন্ধ করি আলোকসজ্জা

সেবা সমূহ

সব দেখুন

ভিডিও গ্যালারী

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন

মাননীয় মন্ত্রী

minister

জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ, এমপি

মাননীয় মন্ত্রী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হাসান মাহমুদ, এমপি ১০ মে ১৯৫০ সালে সিরাজগঞ্জের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ এবং মাতা বেগম আবেদা খাতুন। তাঁর পিতা ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও তৎকালীন পাকিস্তানের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এছাড়া তাঁর পিতা পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের প্রাক্তন সদস্য, বঙ্গীয় আইনসভার সদস্য এবং ভারতীয় আইন পরিষদের সদস্য ছিলেন।

শিক্ষাজীবনে ইকবাল হাসান মাহমুদ মেধা ও নেতৃত্বগুণের স্বাক্ষর রাখেন এবং ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর সহধর্মিণী রুমানা মাহমুদও একজন সাবেক সংসদ সদস্য। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক পুত্র ও এক কন্যার জনক।

জাতির গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রামসমূহে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক এগার দফা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে গণআন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে তিনি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান রাখেন।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি ধারাবাহিকভাবে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং চারবার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আইন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে সংগঠন ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। গণতন্ত্র, ন্যায়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা ও জনগণের কল্যাণ তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি।

রাজনীতির পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রেও ইকবাল হাসান মাহমুদ সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি বিভিন্ন প্রকল্পে স্পনসর পরিচালক। তিনি শিল্প অর্থায়নে নিয়োজিত বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (বিএসআরএস) এর প্রাক্তন পরিচালক ছিলেন এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও এপেক্স উইভিং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দেশের চামড়া ব্যবসায়ের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এপেক্স ট্যানারি লিমিটেডের প্রাক্তন পরিচালক, এপেক্স ফুড লিমিটেড এবং এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেডের প্রাক্তন ডিএমডি হিসেবে শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখেন। ১৯৭৮ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হাসান মাহমুদের জীবন সংগ্রাম, দেশপ্রেম, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং শিল্প-বাণিজ্যে অবদান জাতীয় উন্নয়নের ধারায় এক অনন্য উদাহরণ।

বিস্তারিত

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

minister

জনাব অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এমপি

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বাংলাদেশের একজন তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল রাজনীতিবিদ। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা কোনো আকস্মিক আবির্ভাব নয়; বরং রাজপথের ধারাবাহিক সংগ্রাম, ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন এবং জনগণের প্রতি নিখাদ ভালোবাসার মধ্য দিয়ে নিজের অবস্থানকে তিনি সুদৃঢ় করেছেন। মাঠের রাজনীতি থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিটি ধাপে রয়েছে তার মেধা, দূরদর্শিতা এবং ত্যাগের অনন্য নজির। ফ্যাসিস্টসরকারের শত নির্যাতন, দেড় শতাধিক মিথ্যা মামলা এবং বারবার কারাবরণ - কোনো কিছুই তাকে আদর্শের পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। বরং প্রতিটি প্রতিকূলতা ও বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন তৃণমূলের মানুষের আস্থার প্রতীক ও একজন পরীক্ষিত নেতা।

পরিবার ও শিক্ষাজীবন

ত্রয়োদশজাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ (সদর) সংসদীয় আসন থেকে ‘ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলাম ও বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং যশোর সরকারি সিটি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ নার্গিস বেগমের কনিষ্ঠ পুত্র।

ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় বেড়ে ওঠা অমিত শৈশব থেকেই ছোটদের স্নেহ এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শনকে জীবনের অবিচ্ছেদ্য মূল্যবোধ বলে মনে করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি তুখোড় মেধাবী। যশোর শহরের ইনস্টিটিউট প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষাজীবনের হাতে খড়ি। এরপর তিনি যশোর সেক্রেড হার্ট জুনিয়র হাই স্কুল ও যশোর দাউদ পাবলিক স্কুলে কিছুকাল লেখাপড়া করেন। সেক্রেডহার্ট থেকে তিনি প্রাথমিকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেন। পরবর্তীতে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম বিভাগে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি যশোর শিক্ষা বোর্ডের সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া একজন কৃতি ছাত্র। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। তার সহধর্মিণী সোহানা পারভীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট। তাদের দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। বড় ছেলে আরশ আরীব ইসলাম জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকার রাজপথে লাখো তরুণের সাথে সক্রিয় ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবন

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শে উজ্জীবিত অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এক আপসহীন ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিক। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তিনি যশোর, খুলনা ও ঢাকার রাজপথে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্বৈরাচারী সরকারের রোষানলে পড়ে তাকে অবর্ণনীয় নিপীড়ন সহ্য করতে হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় দেড় শতাধিক ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা। প্রতিহিংসার এই চরম মুহূর্তেও যশোর, ঢাকা ও নড়াইলের কারাগারে তাকে সাত (০৭) বার কারাবরণ করতে হয়েছে। শুধুতাই নয়, তার বাসভবন ও চলন্ত গাড়ির ওপর একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে এবং বহুবার তার প্রাণনাশের অপচেষ্টা করা হয়েছে।

রক্তচক্ষু ও নির্যাতন উপেক্ষা করে রাজপথে সদা সোচ্চার অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দলের নেতাকর্মীদের লড়াই-সংগ্রামে উজ্জীবিত করার পাশাপাশি ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন; যা খুলনা বিভাগে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। প্রতিটি লড়াই-সংগ্রামে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, জনগণের শক্তিই হলো যে কোনো পরিবর্তনের মূল ভিত্তি। ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সর্বাত্মক অংশগ্রহণ করেন। তিনি মনে করেন, এই ছাত্র গণ-অভ্যুত্থান ছিল স্বৈরাচারমুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অনিবার্য অধ্যায়; যা মুক্তিকামী মানুষের ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।

সামাজিক কর্মকাণ্ড

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনে তিনি নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছেন। শিক্ষার্থীদের বেতন বৃদ্ধির প্রতিবাদ, আবাসিক ছাত্রদলের হলের খাবারের মানোন্নয়ন এবং কেমিস্ট, বায়োকেমিস্ট, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট ও মাইক্রোবায়োলজিস্টদের পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপত্তা দাবির আন্দোলনে প্রথম সারিতে থেকে তিনি অংশ নিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় পরিচালিত প্রতিটি ত্রাণ কার্যক্রমে তিনি নিয়মিত অংশ নিতেন। জন্মভূমি যশোরের বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতা করে চলেছেন আজ অবধি। বিগত করোনা মহামারির সময় জীবনবাজি রেখে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত যশোরে নিজস্ব উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবা সার্ভিস গড়ে তোলেন; যা দেশব্যাপী প্রশংসিত হয়। নিজসামর্থ্য অনুযায়ী খাবার, ওষুধ ও অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে যশোরবাসীর পাশে দাঁড়ান তিনি।

বিস্তারিত

সচিব

minister

জনাব মিরানা মাহরুখ

সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

মিরানা মাহরুখ বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব ও বিশ্ব ব্যাংক এবং এশিয়া, জেইসি ও এফঅ্যান্ডএফ অনুবিভাগের অনুবিভাগ প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

১৮তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে তিনি ২৫ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে মাঠ প্রশাসন থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্মসচিবসহ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন।

জাতীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি প্রেষণে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (IsDB)-এ কর্মরত ছিলেন এবং পরবর্তীতে হংকংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে কাউন্সেলর ও হেড অব চ্যান্সারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসন বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি, মেলবোর্ন থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন।

কর্মজীবনে দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। এর মধ্যে ডিরেক্টর জেনারেল’স অ্যাওয়ার্ড (১৯৯৯) এবং জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার (২০২৩) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

দুই দশকেরও বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে মিরানা মাহরুখ প্রশাসন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উন্নয়ন অর্থায়ন ও জনসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং জনকল্যাণে অঙ্গীকার তাঁকে বাংলাদেশের সরকারি প্রশাসনের একজন বিশিষ্ট ও সম্মানিত কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

বিস্তারিত

চেয়ারম্যান

minister

জনাব মোঃ এহছানুল হক

সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও চেয়ারম্যান, বিআরপিএল

১৯৮২ বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের সদস্য মো: এহছানুল হক বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে কর্মরত। তিনি ১২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে এই পদে নিযুক্ত হন।

বর্তমানে তিনি সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি দক্ষ, সেবাধর্মী, জনকল্যাণমুখী এবং জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন গড়ে তোলার জাতীয় প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং মাঠ প্রশাসনে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জনাব হক সততা ও পেশাদারিত্বের সাথে জনসেবা প্রদানের জন্য কর্মচারীদের অনুপ্রাণিত করতে ও নির্দেশনা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

চার দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে তিনি সহকারী কমিশনার, উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং ঝালকাঠি জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক (ডিসি)-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও নেতৃত্বদানকারী পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বিস্তৃত কর্মজীবনের মধ্যে অর্থ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং জননিরাপত্তা বিভাগের মতো মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়াও তিনি প্রধানমন্ত্রী/প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত জনাব হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক (১৯৭৫) এবং ফিন্যান্সে স্নাতকোত্তর (১৯৭৬) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীকালে তিনি আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি আইন ও প্রশাসন, নীতি পরিকল্পনা, মানি অ্যান্ড ব্যাংকিং (ফিস্ক ইউনিভার্সিটি, ন্যাশভিল, টেনেসি, ইউএসএ), ক্রেডিট অ্যানালাইসিস (সিটিকর্প স্কুল অব গ্লোবাল ফিন্যান্স, নিউ ইয়র্ক, ইউএসএ, ১৯৯৩) এবং দারিদ্র্য বিমোচন (থাইল্যান্ড, ২০০৫) বিষয়ে উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে জনাব হক বিবাহিত এবং দুই কন্যা সন্তানের জনক।

বিস্তারিত

ব্যবস্থাপনা পরিচালক

minister

জনাব মোঃ আশরাফ হোসেন

ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিআরপিএল

বিস্তারিত

বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রিয় সেবা

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করুন সংক্রান্ত বার্তা

সর্বমোট উৎপাদন বিবরণী

Plant Name Plant Capacity (MW) Max. Generation (MW)
Kodda 150 MW Power
Plant
150 149.356
Mirsarai 150MW Dual Fuel Power Plant 163 163
Sreepur 150MW HFO Based Power Plant 160

160.853

Total 473 473.209

IMS certificate

প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের সুবিধাসমূহ

বাংলাদেশ ই-ডিরেক্টরি

জাতীয় সঙ্গীত

বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম